রামগঞ্জের সন্তান শেখ সামছুকে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দেখতে চান যুবলীগের নেতাকর্মীরা

প্রকাশিত: জুলাই ২৭, ২০২০

আবদুর রহমান,লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:
আওয়ামী পরিবারে জন্ম নেওয়া,তৃনমূল থেকে বেড়ে উঠা,দলের দুর্দিনের কান্ডারী সাবেক মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্রনেতা,১/১১ এর সময়ে শেখ হাসিনার মুক্তির আন্দোলনে রাজপথের অকুতোভয় সৈনিক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতৃত্বদানকারী, নতুন প্রজম্মের আইকন, পরিচ্ছন্ন,স্পষ্টবাদী,ন্যায় নীতিবান,মেধাবী ও সফল রাজনীতিবিদ, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান শেখ সামছুকে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পুর্নাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছেন যুবলীগের নেতাকর্মীরা।
এই নিয়ে তার জন্মস্থান রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর,নোয়াখালী সহ সারাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিষয়টি ভাইরাল হতে দেখা গেছে।
রামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক সৈকত মাহমুদ শামছু,যুবলীগ নেতা সৌদি বিল্লাল, বাহার পাটওয়ারী, সামছুল ইসলাম সোহাগ সহ বেশ কয়েকজন দলীয় নেতাকর্মী জানান, শেখ সামছু দলের দুঃসময়ের কর্মি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের রাজনীতি করতে গিয়ে তিনি যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন তা বর্তমান আওয়ামীলীগ অথবা সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
তিনি চাইলে আজ ইউরোপের প্রবাসে আরাম আয়েশ করে জীবন কাটাতে পারতেন,কিন্তু আওয়ামী রাজনীতির ভালোবাসার টানে সবকিছু ছেড়ে দেশেই অবস্থান করছেন ।
মানুষের কটুকথা, দুঃখকষ্ট ভোগ করে, পুলিশের নির্যাতন সহ্য করে, বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে, আওয়ামীলীগের রাজনীতি কে ভালবেসে হাসিমুখে এখনো দলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন।তাই সময় এসেছে শেখ সামছু ভাইকে সঠিক মূল্যায়নের।সেই সাথে কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে সামস্ পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিলের কাছে আমাদের সকলের প্রত্যাশা শেখ সামছু ভাইকে কেন্দ্রীয় যুবলীগের পুর্নাঙ্গ কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব দেওয়ার জোর দাবি জানাচ্ছি। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি শেখ সামছু ভাইয়ের ত্যাগের যেন সঠিক মূল্যায়ন হয়।
শেখ সামছু বলেন, যুবলীগ আমার প্রানের সংগঠন।নেতাকর্মীদের ভালোবাসা ও সহযোগিতায় আমি কাজ করার অনুপ্রেরণা পাই। আমার লক্ষ উদ্দেশ্য হলো সন্ত্রাসী, মাদক ব্যবসায়ী, টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দূর্ণীতিবাজ, রাজাকার পরিবারের সন্তান এবং বিএনপি-জামায়াত থেকে আগত অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর পদ থেকে বিতাড়িত করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলো কে দুষ্ট চক্রের হাত থেকে রক্ষা করা এবং এদের আশ্রয় প্রশ্রয়দান কারীদের কেও চিহ্নিত করে শাস্তির ব্যবস্থা করা। তৃণমূল ও ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে এর বিকল্প নেই।সকলকে সাথে নিয়ে আগামী দিনগুলোতেও যুবলীগকে সুসংগঠিত করতে কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।সেজন্য সকলের কাছে দোয়া প্রত্যাশা করছি।